Skip to main content

155th Birthday Of Jogindranath Sarkar

 


Son of Nandalal Sarkar, a native of Jaynagar, he was born in the house of his maternal uncle in Netra village of South 24 Parganas district, on 28 October 1866. His father came from an impoverished family in Jessore and later settled in Jaynagar. Doctor and philanthropist Sir Nilratan Sircar was Jogindranath's elder brother. Jogindranath was a member of the Brahmo Samaj.

Jogindranath studied at Deoghar High School and was admitted to City College, but was unable to complete his degree.

Career and writingsEdit

He then began teaching at City Collegiate School, Kolkata, and became interested in writing children's literature at around the same time. He was adept at nonsense verse. His work was published in various Bengali children's magazines, including Sandesh. He was also the editor of the children's magazine Mukul.

Popular books include Hasi Khushi (1897), and his illustrated books of poetry Khukumanir Chhada (1899) and Hasirashi (1899). Other books for children include Chhabi-O-Galpo (1892), Ranga Chhabi (1896), Pashu-Paksi (1911), Bane-Jangale (1929), Galpa SanchayShishu ChayanikaHijibiji, and others. In addition, he wrote schoolbooks for children, among them Gyanamukul (1890), Charupath, and Shiksa Sanchay.

In 1896 Jogindranath established the City Book Society, which published Upendrakishore Ray Chowdhury's debut book Chheleder Ramayana, an adaptation of the Ramayana for young readers.

Despite suffering from hemiplegia from 1923, Jogindranath continued to write and publish until his death in 1937.

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার নেত্রাতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর আদি নিবাস যশোহর। তার পিতার নাম নন্দলাল সরকার । নন্দলাল সরকার যশোরের একটি দরিদ্র কায়স্থ পরিবারের মানুষ ছিলেন। তিনি পরবর্তী কালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার জয়নগরে থাকতে আরম্ভ করেন। বিখ্যাত চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ নীলরতন সরকার যোগীন্দ্রনাথ সরকারের দাদা। যোগীন্দ্রনাথ সরকার ব্রাহ্ম ধর্মাবলম্বী ছিলেন।[৩][৪] দেওঘর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি কলকাতা সিটি কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু তিনি নিজের প্রথাগত পড়াশোনা শেষ করতে পারেন নি।[৩][৪]

কর্মজীবন ও সাহিত্যপ্রতিভাসম্পাদনা

সিটি কলেজিয়েট স্কুলে তিনি শিক্ষকতা করতে আরম্ভ করেন মাত্র পনের টাকা বেতনে। এ সময় থেকেই তিনি শিশু সাহিত্যের প্রতি আগ্রহী হন এবং শিশুসাহিত্য রচনা আরম্ভ করেন। আজগুবী ছড়া রচনায় তিনি খুব দক্ষ ছিলেন। তার সঙ্কলিত বই হাসি ও খেলা ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয় । তিনি সখাসখীমুকুলবালকবন্ধুবালকসন্দেশ প্রভৃতি ছোটদের পত্রিকায় লিখতেন। তিনি মুকুল পত্রিকাটি সম্পাদনাও করেছিলেন ।[৩][৪]

তিনি ছবির সাহায্য অক্ষর চেনাতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। তার কবিতাগুলির সাথে সুন্দর ছবি থাকত যা ছোটদের মনে এক কল্পনার জগৎ সৃষ্টি করত। ছোটদের জন্য লেখা বিদেশী উদ্ভট ছন্দ ও ছড়ার অনুসরনে তিনি হাসি রাশি নামে একটি সচিত্র বই প্রকাশ করেন। এর সাথে সাথেই ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে তার সংগৃহিত খুকুমনির ছড়া প্রকাশিত হয়। তার রচিত হাসিখুসি (১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত) বইটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিল। তার রচিত ও সঙ্কলিত ৩০টি ছোটদের গল্প ও ছড়ার বইয়ের মধ্যে ছড়া ও ছবিরাঙাছবিহাসির গল্পপশুপক্ষীবনে জঙ্গলেগল্পসঞ্চয়শিশু চয়নিকা হিজিবিজি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। তার সম্বন্ধে বুদ্ধদেব বসু বলেছিলেন, “বাংলার মাটিতে এমন একজন মানুষ অন্ততঃ জন্মেছেন, যিনি একান্তভাবে ছোটদের লেখক, সেই সব ছোটদের, যারা কেঁদে কেঁদে পড়তে শিখে, পরে হেসে হেসে বই পড়ে।”

ছোটদের উপযোগী ২১টি পৌরানিক বই এইসময় তিনি রচনা করেছিলেন। সেগুলি হল, ‘কুরুক্ষেত্র’ (১৯০৯),  ‘শকুন্তলা’, ‘সাবিত্রী সত্যবান’, ‘সীতা’ (১৯১০), ‘ধ্রুব’ (১৯১৫), ‘ছোটদের রামায়ণ’ (১৯১৮), ‘ছোটদের মহাভারত’ (১৯১৯), ‘দৈত্য ও দানব’ (১৯২০) প্রভৃতি। এছাড়াও জ্ঞানমুকুলসাহিত্যচারুপাঠশিক্ষাসঞ্চয় প্রভৃতি ১৩-১৪টি স্কুলপাঠ্য বই তিনি রচনা করেছিলেন। ৫ সেপ্টেম্বর ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বন্দেমাতরম্ বলে একটি জাতীয় সঙ্গীত সংগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।[৩][৪]

১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে যোগীন্দ্রনাথ সিটি বুক সোসাইটি নামে প্রকাশনা সংস্থা স্থাপন করেন। এই প্রকাশনা সংস্থা থেকেই উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর প্রথম বই ছেলেদের রামায়ণ প্রকাশিত হয়েছিল। [৩][৪] নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যর শিশুদের বই ‘টুকটুকে রামায়ণ’ এবং কুলদারঞ্জন রায়ের লেখা ‘ইলিয়াড’ এই পাবলিকেশন থেকেই প্রকাশিত হয়।[৫]

১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রবল কর্মব্যস্ততার ফলে উচ্চরক্তচাপজনিত কারণে মস্তিষ্কের শিরা ছিঁড়ে জ্ঞান হারান তিনি। বহু চিকিত্সার পর প্রাণরক্ষা পেলেও শরীরের ডান ভাগ পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়। কিন্তু অসুস্থতার মধ্যেও তিনি তার রচনা ও প্রকাশনার কাজ চালিয়ে যান।[৩] এই পরিস্থিতির মধ্যেই ১৯৩৬ সালে তাঁর শেষ সংকলন 'গল্প সঞ্চয়' প্রকাশিত হয়।[৬] তার রচিত মোট গ্রন্থের সংখ্যা ৭৮টি।

১৯৩৭ সালের ২৭শে জুন (মতান্তরে ২৬শে জুন) ৭১ বছর বয়সে মৃত্যু হয় যোগীন্দ্রনাথ সরকারের।

Source: Wikipedia

Comments

Anonymous said…
Can you please tell me how many sons and daughters Jogindra Nath Sircar had . Thank you very much
Bandoasim said…
Sorry, not so many information about the personal life of Jogindra Nath Sircar was found.

Popular posts from this blog

Jorasanko Tagore Family : Genealogical Table

-- A. B.

500 Year's Old Nimai Tirtha Ghat - Reminiscences Of Sri Chaitannya Deb

It says that Nimai Sri Chaitannya Deb once came to district Hooghly for the pilgrimage of Tarakeswar. So he bathed in river Ganga on the bathing ghat of Baidyabati. Then had started his journey to Tarakeswar on foot. It took about 12 hours to reach Tarakeswar. Later, the bathing ghat was named on him and now known to all as Nimai Tirtha Ghat. So, the ghat is about 500 year's old. Kabikankan Mukundaram mentioned this ghat in his mangal kabya, about 400 years ago. Raja Harishchandra of Seoraphuly constructed Nistarini Mandir and Bhadrakali Mandir in the year 1827 beside NimaiTirtha Ghat. then, lakhs of pilgrims take bath on river Ganga from this ghat and take holy water, visit Ma Nistarini and Debi Bhadrakali near, then use to go for Tarakeswar on foot to pour that Gangajal on the shiblinga of Baba Taraknath. The pilgrims use to go to Tarakeswar on the month of Shraban (July-August). Pic 1) The gate of Nimai Tirtha Ghat; Pic 2) The pilgrims are taking bath at the said gha...

Highest Jagadhatri Idol Of Chandannagar : Fatakgora

No other idol of Jagadhatri will compete in regard to height with the idol of Fatakgora (height: 31 feet). -- A. B.